Friday, January 31, 2014

আইফোনের সেটিং অ্যাপসের সকল সেটিং সম্পর্কে বাংলায় জানতে দেখুন।

পরম করুনাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন।
আজকে আপনাদের বাংলায় আইফোনের বিভিন্ন সেটিং সম্পর্কে ধারনা দিব। চেষ্টা করেছি ভালভাবে উপস্থাপন করার জন্য। সবকিছু লিখে বুঝানো আসলেই কঠিন কাজ। তো দেখে নিন হয়ত কোন কাজে লাগতে পারে।

• Airplane Mode: এটা অন করলে কোন ধরনের তারবিহীন সংযোগ কাজ করবে না। যেমন সিম চলা, ওয়াইফাইসহ সকল ধরনের তারবিহীন সংযোগ থেকে ফোনটি বিচ্ছিন্ন থাকবে। তবে iOS7 এ এটা অফ থাকলেও ওয়াইফাই অন করে চালানো যায়।
• Wi-Fi: এটা অন করলে আপনার আইফোনের আশেপাশে যে যে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক আছে তা দেখাবে। যাদের মধ্য থেকে সঠিক নিয়মে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক সংযোগ করে ইন্টারনেট ব্যাবহার করা যায়। যাদের ওয়াইফাই নাই তারা সবসময় এটি অফ রাখুন। এতে ব্যাটারি লাইফ সেভ হবে।
• Bluetooth: এটা দিয়ে মূলত আইফোনের সাথে ব্লুটুথ হেডসেট সংযোগ করে কথা বলা যায়। এটা দিয়ে নকিয়া বা অন্যান্য সেটের মত সরাসরি ফাইল আনা বা নেওয়া যায় না। তবে ফাইল শেয়ার করার জন্য কিছু কিছু সিস্টেম আছে যার জন্য অবশ্যই আইফোনটি জেইলব্রেক থাকতে হবে বা বিভিন্ন অ্যাপস লাগবে। কম্পিউটারের ব্লুটুথ এর সাথে আইফোনের ব্লুটুথ সংযোগ করার জন্যও এটা কাজ করে। তবে সবার আইফোন দিয়ে কাজ নাও করতে পারে।
• Cellular: আইফোনের ইন্টারনেট অন/অফ করা যায়। জেভি সিম দিয়ে আইফোন চালালে অনেক সময় Data Roaming অন/অফ না করলে আইফোনের ইন্টারনেট বন্ধ/চালু হয় না। এখান থেকে Cellular Data Network এ গিয়ে সিম অনুযায়ী সঠিক Internet APN এবং MMS সেটিং করে ইন্টারনেট চালানো এবং এমএমএস সার্ভিস ব্যাবহার করা যায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অপারেটরের ইন্টারনেট এবং এমএমএস সেটিং জানতে এখানে ক্লিক করুন।
• Personal Hotspot: এটা দিয়ে আইফোনের ইন্টারনেট কম্পিউটারে ব্যাবহার করা যায়। তবে তার জন্য Cellular > Cellular Data Network > Personal Hotspot এ গিয়ে সঠিক APN সেট করতে হবে। সাধারণত ইন্টারনেট চালানোর জন্য যে APN সেটিং তা সেট করলেই কাজ করে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে Personal Hotspot কাজ নাও করতে পারে।
• Carrier: স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা ম্যানুয়ালি সিম অপারেটর লিস্ট পাবেন এখান থেকে। যদি Automatic ভাবে সেট করলে নেটওয়ার্ক পেতে সমস্যা হয়, তাহলে ম্যানুয়ালি সেট করে নিতে পারেন।
• Notification Center: কোন কোন অ্যাপসের জন্য কি কি ধরনের নোটিফিকেশান অন/অফ করবেন তার সকল সেটিং পাবেন এখানে। এখান থেকে সবগুলো অ্যাপসের Show in Notification Center অফ রাখুন। যে যে অ্যাপসের Notification একেবারে দরকার নেই সেই অ্যাপসের Badge App Icon, Sounds, Show on Lock Screen অফ করে রাখুন এবং Alert Style None সিলেক্ট করুন। এতে অনেক ব্যাটারি সেভ হবে।
• Control Center: লক স্ক্রীন বা বিভিন্ন অ্যাপস চালানোর সময় Control Center ব্যাবহার করার জন্য অন/অফ অপশন পাবেন এখানে। নিচ থেকে উপরের দিকে ঘষা দিয়ে Control Center ব্যাবহার করা যাবে। যার ১ম লাইনে এক টাচে Airplane Mode, Wi-Fi, Bluetooth, Do Not Disturb, Screen Rotation অন/অফ করা যাবে। ২য় লাইনে স্ক্রীন ব্রাইটনেস কমানো/বাড়ানো। ৩য় লাইনে মিউজিক কন্ট্রোল, সাউন্ড কমানো/বাড়ানো। ৪র্থ লাইনে এয়ার ড্রপ, এয়ার প্লে কন্ট্রোল। ৫ম লাইনে ফ্লাশলাইট, টাইমার, কেলকুলেটর, ক্যামেরা অপশন থাকবে। Control Center এর উপর থেকে নিচের দিকে ঘষা দিয়ে এটা হাইড করা যায়।
• Do Not Disturb: iOS6 সফটওয়্যার ভার্সনে নতুন একটা অপশন যুক্ত হয়েছে যা Do Not Disturb নামে পরিচিত। এটা অন থাকলে Calls, Alerts, and Notifications সব Silence থাকবে মানে কোন শব্দ বা ভাইব্রেট থাকবে না। এটা অন করার জন্য Settings > Do Not Disturb এ গিয়ে অন করলেই হবে। Do Not Disturb অন থাকলে Status bar মানে টাইম ওঠার জায়গার পাশে চাঁদের মত দেখাবে। যদি কখনো অফ করতে ভুলে যান তবে টাইম ওঠার জায়গার পাশে চাঁদের মত দেখালে বুজতে হবে যে অন আছে। তখন Settings > Do Not Disturb এ গিয়ে অফ করে নিলেই হবে।
Do Not Disturb এর Settings বদলানোর জন্য Settings > Notifications > Do Not Disturb এ গিয়ে বদলাতে হবে। এখান থেকে যে যে অপশন আছে তা নিচে দেওয়া হলঃ
Scheduled: এই অপশন অন করে টাইম সেট করে নিলে সেই সময়ের মধ্যে Calls, Alerts, and Notifications সব Silence থাকবে মানে কোন শব্দ বা ভাইব্রেট হবে না।
Allow Calls From: এখান থেকে যাদের সিলেক্ট করবেন Do Not Disturb অন থাকা অবস্থায় তারাই শুধু কল দিলে রিং হবে। এখান থেকে Everyone, No one, your Favorites ছাড়াও Specific Contact Groups সিলেক্ট করতে পারবেন।
Repeated Calls: এটা অন রাখলে ৩ মিনিটের মধ্যে যদি একই ব্যাক্তি দ্বিতীয় বার কল করে তাহলে প্রথম বার রিং না হলেও দ্বিতীয়বার রিং হবে।
এখন আপনি আপনার পছন্দমত সেট করে নিন যেটা আপনার জন্য দরকার। পরিশেষে এই অপশন ব্যাবহার করলে সব Calls, Alerts, and Notifications আসবে কিন্তু কোন শব্দ হবে না।


• General: 
* About: এখানের Name থেকে আইফোনের নাম এডিট করা যায়। Network দিয়ে কোন সিম নেটওয়ার্ক কাজ করছে তা জানা যায়। Songs থেকে কয়টা গান, Video থেকে কয়টা ভিডিও, Photos থেকে কয়টা ছবি, Applications থেকে কয়টা অ্যাপস আছে তা জানা যায়। Capacity থেকে কত জিবির আইফোন, Available থেকে কত জিবি ফ্রী আছে তা জানা যায়। Version থেকে আইফোনে বর্তমানে কোন সফটওয়্যার ভার্সন বা ফার্মওয়ার আছে তা জানা যায়। Carrier থেকে কোন অপারেটরের সিম চলছে তা জানা যায়, তবে অ্যাপেল সাপোর্ট করে না এমন হলে শুধু Carrier … দেখাবে। Model দিয়ে iphonefrom.com/en ওয়েবসাইট থেকে কোন দেশের আইফোন তা জানা যায়। Serial Number দিয়ে আইফোনের Warranty আছে কিনা জানা যায়, পুরনো আইফোন মডেলেগুলোর Baseband এবং কবে বানানো তা জানা যায়। IMEI দিয়ে এখান থেকে আইফোনটি ফ্যাক্টরি আনলক কিনা জানা যায়। IMEI দিয়ে আইফোনটি Blacklist/Stolen কিনা তাও জানা যায়। ICCID দিয়ে যে সিম চালাচ্ছেন তার সিম নাম্বার জানা যায়। MEID দিয়ে বিভিন্ন অপারেটরের Bad/Good ESN চেক করা যায়। Modem Firmware দিয়ে আপনার আইফোনে এখন কোন Baseband আছে তা জানা যায়।
* Software Update: এখান থেকে ওয়াইফাই দিয়ে সফটওয়্যার আপডেট করা যায়। আর আপনার আইফোনটির সফটওয়্যার ভার্সন আপ টু ডেট কিনা তাও জানা যায়। এই অপশনে দরকার না থাকলে কখনই যাওয়া উচিৎ না।
* Siri: Siri হচ্ছে Virtual Assistant ফিচার যা ২০১১ সালে প্রথম iPhone 4S এর মাধ্যমে বের হয়েছে। iPhone 4S এর পর থেকে সকল আইফোন মডেল যেমন iPhone 5,5C,5S এটা আছে। iOS6 ভার্সন পর্যন্ত এতদিন তা Beta হিসেবে ছিল। বর্তমান iOS7 এ অ্যাপেল তা Full রিলিজ করেছে। Siri কে বিভিন্ন কিছু জিজ্ঞাসা করে অনেক কিছু করা যায় তবে তার জন্য ভাল স্পীডের ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে। Settings – General – Siri তে গিয়ে অন করে আপনার পছন্দমত বিভিন্ন অপশন সেট করে নিতে পারেন। iOS7 এর সিরিতে যা যা অপশন আছে তা হল Language (যা থেকে বিভিন্ন ভাষা সিলেক্ট করা যায়), Voice Gender, Voice Feedback, My Info, Raise to Speak. Siri অন করার পর হোম বাটন কয়েক সেকেন্ড চাপ দিয়ে ধরে রেখে সিরিকে কিছু বললে তা আপনার কথামত উত্তর দিবে। তবে আমি যতবার কোন কিছু জিজ্ঞাসা করেছি বেশিরভাগ সময় সিরি অন্যটা বুঝেছে। মনে হয় আমার বলা ইংলিশ সিরি একটু কমই বুঝে। iOS6 থেকে এই সিরি দিয়ে খেলার সংবাদ জানা, কাছে কোথায় রেস্টুরেন্ট আছে, কাছের কোন সিনেমা হলে কি মুভি চলছে, টার্ন বাই টার্ন ম্যাপ ডিরেকশন (এই ৪টি সুবিধা উন্নত দেশের জন্য), কোন অ্যাপস ওপেন করা ছাড়াও ফেসবুক ও টুইটার এর স্ট্যাটাস আপডেট দেয়া যেত। iOS7 এ কোন কিছু ওয়েব থেকে সার্চ করতে এখন গুগল ছাড়াও বিং দিয়ে সার্চ হয়। টুইটার থেকে কারো টুইটার জানতে হলে তা জানা যায়। Wikipedia থেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চাইলে তাও জানা যায়। সিরি দিয়ে এখন বিভিন্ন সেটিং অন/অফ করা যায়। যেমনঃ Airplane Mode, Wifi, Bluetooth, Do Not Disturb On করা। Brightness কমানো বাড়ানো যায়। কোন অ্যাপস ওপেন করতে বললে তা ওপেন করে দেয়। এরকম আরও কত কি।
* Spotlight Search: iOS7 বা তার পরের ভার্সনে মেইন স্ক্রীনের মাঝখান থেকে নিচের দিকে স্লাইড করলে যে Search অপশন আসে তাকে Spotlight Search বলে। সার্চ অপশন থেকে কি কি সার্চ করে খুঁজে পেতে চান তা এখান থেকে টিক দিয়ে সিলেক্ট করতে হয়। Contacts, Applications ছাড়া বাকিগুলো থেকে টিক উঠিয়ে দিন। তাতে ব্যাটারি লাইফ সেভ হবে। iOS6 বা তার আগের ভার্সনের আইফোনে হোম স্ক্রীনের বাম থেকে ডানদিকে স্লাইড করলে যে পেজ আসে তা থেকে Spotlight Search করা যায়। পুরু আইফোন থেকে খুজে খুজে না বের করে এক জায়গায় সবকিছু খুজার জন্য এটা কাজ করে। এখান থেকে কোন কিছু লিখে সার্চ করে খুজা হয়। লিখা অংশ যদি Contacts, Applications, Music, Podcasts, Videos, Audiobooks, Notes, Events, Mail, Voice Memos, Reminders, Messages এর কোন একটার সাথে সম্পৃক্ত থাকে তাহলে তা এখানে পর্যায়ক্রমে দেখাবে যেভাবে আপনি সেট করে রাখবেন। এখান থেকে লিখে আপনি Search Web বা Search Wikipedia তেও সরাসরি যেতে পারবেন যা Safari ব্রাউজার দিয়ে ওপেন হবে। আইফোনের Settings – General – Spotlight Search এ গিয়ে এর সব অপশন পাবেন। এখান থেকে পর্যায়ক্রমে Contacts, Applications, Music, Podcasts, Videos, Audiobooks, Notes, Events, Mail, Voice Memos, Reminders, Messages অপশন পাবেন যার সব আইফোনে সয়ংক্রিয় ভাবে টিক দেয়া থাকে। আপনি চাইলে এখান থেকে আপনার জন্য যা যা টিক রাখা দরকার তা রেখে বাকিগুলো একবার করে টাচ করে টিক উঠিয়ে দিতে পারেন মানে ডিসেবল করে দিতে পারেন। তাছাড়া প্রতিটার ডানদিকের অপশন থেকে উপরে নিচে করে আপনার সুবিধামত সাজিয়ে নিতে পারবেন। এখান থেকে যেটা আগে থাকবে সেটা প্রথমে দেখাবে। যেমন Contacts যদি আগে থাকে তবে Contact আগে দেখাবে। আমি নিজের টাতে Contacts, Applications ছাড়া বাকিগুলো ডিসেবল করে রেখেছি।
* Text Size: যে সকল অ্যাপস Dynamic Type সাপোর্ট করে সে সকল অ্যাপসে লেখা কেমন ছোট/বড় দেখবেন তা সিলেক্ট করা যায়।
* Accessibility: এখান থেকে Bold Text অন রাখুন। Reduce Motion অন রাখুন। আর যারা AssistiveTouch ব্যাবহার করেন তারা এটা অন রাখুন। প্রথমে Settings তারপর General তারপর Accessibility তারপর AssistiveTouch এ গিয়ে AssistiveTouch On করলেই আপনার আইফোনের স্ক্রীনে আবছা আবছা একটি নতুন বাটনের মত দেখাবে, যা আপনি যেখানে ইচ্ছা সেখানে সরিয়ে রাখতে পারবেন। এটা আপনার স্ক্রীনে সবসময় থাকবে। মানে কোন অ্যাপস ব্যাবহার করার সময়ও এটা অস্পষ্ট ভাবে থাকবে। এটা না দেখতে চাইলে বা বন্ধ করতে চাইলে যেভাবে অন করেছেন ঠিক সেভাবে ঐ অপশনে গিয়ে অফ করতে পারবেন। এই বাটনে টাচ করলে ৪টি অপশন আসবে যা Home, Device, Favorites & Siri/Voice Control.
• Home অপশন দিয়ে আপনি হোম বাটনের বদলে ব্যাবহার করতে পারবেন। যদি পরপর দুইবার টাচ করেন তবে আসল হোম বাটন দুইবার টাচ করলে যা হবার কথা তাই হবে যেমন Multitasking.একবার টাচ করলে হোম স্ক্রীনে চলে আসবে। কতক্ষন চেপে ধরে রাখলে Voice Control or SIRI ব্যাবহার করতে পারবেন।
• Device অপশনে টাচ করলে Lock screen যা লক/পাওয়ার বাটনের কাজ করবে। এটাতে কয়েক সেকেন্ড ধরে রেখে আপনি আইফোন বন্ধও করতে পারবেন। তারপর Rotate Screen এ টাচ করে আপনি স্ক্রীনকে বিভিন্ন ভাবে Rotate করতে পারবেন। Volume Up এ টাচ করে সাউন্ড বাড়াতে পারবেন। Volume Down এ টাচ করে সাউন্ড কমাতে পারবেন। Mute এ টাচ করে ভাইব্রেশন অন/অফ করতে পারবেন। More থেকে Shake এ টাচ করে আইফোন ঝাকালে যা হয় তা হবে যেমন মিউজিক সাফল। Screenshot এ টাচ করলে সেই সময় স্ক্রীনে যা থাকবে তার ছবি ফটো অ্যাপসে গিয়ে সেভ হবে। Multitasking টাচ করলে অ্যাপস বন্ধ করার অপশন আসবে (এটা অবশ্য হোম অপশন দুইবার চাপলেও হয়)
• Siri/Voice Control টাচ করে এগুলো দিয়ে যা যা হয় তা করা যায়। যেমন সিরি দিয়ে কোন অ্যাপস ওপেন করতে বললে ওপেন করে দেবে। এরকম আরও কত কি।
• Favorite অপশনে আপনি আপনার ইচ্ছামত অ্যাপস সেট করে নিতে পারবেন।
* Usage: এখান থেকে Battery Percentage অন করে কত% ব্যাটারি আছে জানতে পারবেন। তাছাড়া কোন অ্যাপসে কতটুকু জায়গা দখল করে আছে তাও জানতে পারবেন।
* Background App Refresh: এটা অফ রাখুন। তা না হলে আপনার আইফোনের ব্যাটারি লাইফ কমে যাবে। কারণ এই অপশন সবসময় ইন্টারনেট খরচ করে যে যে অ্যাপস অন করা তা আপডেট করে।
* Auto-Lock: আপনার আইফোনের স্ক্রীন কতক্ষন পর অফ হবে তা সেট করতে পারবেন। ১ মিনিট সেট করে রাখুন তাতে ব্যাটারি লাইফ কিছুটা হলেও সেভ হবে।
* Passcode Lock: প্রতিবার আইফোন অন করার সময় যে পাসওয়ার্ড দিতে হয় তা সেট করা যায় এখান থেকে।
* Restrictions: চার ডিজিটের পাসওয়ার্ড সেট করে এখান থেকে অ্যাপস ইন্সটল, অ্যাপস ডিলিট বন্ধ/চালু করা যায়। তাছাড়া Safari, Camera, Facetime, iTunes Store, iBooks Store, Siri, AirDrop ব্যাবহার করবেন কি করবেন না তা নিয়ন্ত্রন করা যায়। তবে এই ৪ ডিজিট পাসওয়ার্ড অবশ্যই অবশ্যই মনে রাখুন। ভুলে গেলে সফটওয়্যার Restore করা ছাড়া ঠিক করতে পারবেন না। প্রথমে Settings অ্যাপস ওপেন করে General তারপর Restrictions এ গিয়ে ৪ ডিজিটের একটি সহজ পাসওয়ার্ড দিন(খুব সাবধান যেন পাসওয়ার্ড ভুলে না যান তাই ১২৩৪ সিলেক্ট করতে পারেন) আবার ঐ একই পাসওয়ার্ড দিয়ে Deleting Apps অফ করে দিন। আরও যেসব কিছু অফ করতে চান করতে পারেন। ব্যাস হয়ে গেলো। এখন আর কোন অ্যাপস ডিলিট হওয়ার ভয় নেই। না জেনে কোন অপশন করবেন না।
* Date & Time: সময়, দিন, তারিখ সেট করতে পারবেন এখান থেকে।
* Keyboard: এখান থেকে Auto-Correction, Check Spelling অফ রাখুন। Emoji Keyboard অ্যাড করতে Keyboards > Add New Keyboard… > Emoji সিলেক্ট করুন। সেটিং ঠিকমত না থাকলে আইফোনের কীবোর্ড দিয়ে একটা লিখলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে আরেকটা লেখা হয়ে যায়। এরকম সমস্যা হলে আইফোনের Settings অ্যাপস ওপেন করে General তারপর Keyboard এ গিয়ে Auto-Correction এবং Check Spelling অফ করে দিন। তাহলে আর এই সমস্যা হবে না। এখান থেকে নিচের দিকে যে Keyboards আছে তাতে ক্লিক করে Add New Keyboard... এ টাচ করে Emoji সিলেক্ট করে আপনি আপনার কীবোর্ড এ নতুন অপশন হিসেবে অনেক Emoji ব্যাবহার করতে পারবেন। কীবোর্ড এ পরপর দুইবার স্পেস বার এ ক্লিক করলে ডট এর কাজ করে। আমার মনে হয় এটা সবাই জানেন। আরও নিচে Add New Shortcut... থেকে বড় কয়েকটা ওয়ার্ড মিলিয়ে কোন কিছু Phrase এ লিখে সেটাকে ছোট Shortcut বানিয়ে ব্যাবহার করতে পারবেন। যেমন I Love You কথাটা Phrase এ লিখে তারপর Shortcut এ ilu লিখে সেভ করে নিলে পরবর্তীতে যখন আপনি কীবোর্ড দিয়ে লেখবেন তখন শুধু ilu লেখার সাথে সাথে সম্পূর্ণ I Love You লেখা হয়ে যাবে। এভাবে যত খুশি তত সেভ করে নিতে পারবেন। তবে অনেকের আইফোনে এটা এখন আর কাজ করে না। যেমন আমার নিজেরটাতেই কাজ করে না।
* International: এখান থেকে Language বদলাতে পারবেন। Region Format > Bengali > Bangladesh সিলেক্ট করে সময় ক্যালেন্ডার বাংলায় দেখতে পারবেন।
* iTunes Wi-Fi Sync: ওয়াইফাই দিয়ে আইটুনস Sync করতে পারবেন। কম্পিউটারের iTunes সংক্রান্ত সেটিং জানতে এখানে ক্লিক করুন।
* VPN: Virtual Private Network সেট করতে পারবেন। এই সংক্রান্ত আরও সেটিং পাবেন এখানে।
* Reset: এখান থেকে যে যে রিসেট করার অপশন আছে তা রিসেট করা যায়। Erase All Content & Settings থেকে আইফোনে থাকা সকল তথ্য মুছে একদম Factory Settings করা যায়। তার মানে নতুন আইফোন কিনলে যেমন থাকবে তেমন হয়ে যাবে।

• Sounds: এখান থেকে বিভিন্ন রিংটোন সেট করা যায়। রিংটোনের সাথে ভাইব্রেশন সেট করবেন কি করবেন না তাও সেট করা যায়। কিভাবে রিংটোন বানাবেন তা জানতে এখানে ক্লিক করুন।
• Wallpapers & Brightness: ব্রাইটনেস কমানো/বাড়ানো যায়। অটো ব্রাইটনেস অন করে রাখলে ব্যাটারি কিছুটা সেভ হবে। এখান থেকে লকস্ক্রীন এবং হোম স্ক্রীনের জন্য বিভিন্ন ওয়ালপেপারও সিলেক্ট করা যায়।
• Privacy: এখান থেকে বিভিন্ন অ্যাপস Location Services, Contacts, Calendars, Reminders, Photos, Bluetooth Sharing, Microphone অ্যাক্সেস করতে পারবে কি পারবে না তা সেট করা যায়। যদি অ্যাপস ওপেন করার সময় উপরের কোন অপশন অ্যাক্সেস করা সেট না করেন পরবর্তীতে এখানে এসে অন করে নিতে পারবেন। যেমন অনেক সময় বিভিন্ন অ্যাপসের Microphone কাজ করে না, তাহলে Settings > Privacy > Microphone থেকে দেখুন সেই অ্যাপস অন করা কিনা, অন না থাকলে সেই অ্যাপস Microphone ব্যাবহার করতে পারবে না। তাছাড়া Twitter, Facebook অ্যাপস কোন কোন অ্যাপস অ্যাক্সেস করতে পারবে তাও নিয়ন্ত্রন করা যায়। এখান থেকে Advertising > Limit Ad Tracking অন রাখুন। এই সম্পর্কে আরও ধারনা পেতে এখানে ক্লিক করুন।
• iCloud: এখান থেকে আপনার অ্যাপেল আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে iCloud এ সাইন ইন করে ইন্টারনেটে আপনার ফোন নাম্বার সেভ করা যায়। Finds My iPhone অন করে রাখলে আপনার আইফোন হারিয়ে বা চুরি হয়ে গেলেও কেউ তা অ্যাক্টিভ বা ব্যাবহার করতে পারবে না। তবে তার জন্য iOS7+ লাগবে। তাছাড়া আরও বিভিন্ন অপশন অন করে সেগুলো iCloud এ সেভ করে রাখতে পারবেন।
• Mail, Contacts, Calenders: Settings > Mail, Contacts, Calenders > Import SIM Contacts এ ক্লিক করে সিমে থাকা সকল ফোন নাম্বার আইফোনে নিতে পারবেন। এছাড়া ইমেইল অ্যাড করা ও ইমেইল সংক্রান্ত সেটিং পাবেন। Calenders সংক্রান্ত সেটিং অ্যাক্সেস করতে পারবেন এখান থেকে।
• Notes: Notes সংক্রান্ত সকল সেটিং অ্যাক্সেস করতে পারবেন এখানে। যেমন কোন কোন অ্যাকাউন্ট দিয়ে নোট সেভ করবেন তা সেট করতে পারবেন।
• Reminders: Reminders সংক্রান্ত সকল সেটিং অ্যাক্সেস করতে পারবেন এখানে।
• Phone: সিম অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের জন্য ফোন সংক্রান্ত বিভিন্ন সেটিং অ্যাক্সেস করা যাবে।
• Messages: আপনার অ্যাপেল আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে iMessage অন/অফ করে নিতে পারবেন। iMessage দিয়ে আইফোন থেকে আইফোনে ফ্রী মেসেজ পাঠানো যাবে ইন্টারনেট খরচ করে, সেটা আপনি যে দেশেই থাকেন না কেন। তবে হাই স্পীড ইন্টারনেট না হলে এই সার্ভিস ঠিকমত কাজ নাও করতে পারে।
• Facetime: আপনার অ্যাপেল আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে ফেসটাইম অন/অফ করে নিতে পারবেন। তবে হাই স্পীড ইন্টারনেট না হলে এই সার্ভিস ঠিকমত কাজ নাও করতে পারে। আরও বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
• Maps: ম্যাপস সংক্রান্ত সকল সেটিং অ্যাক্সেস করতে পারবেন।
• Compass: কম্পাসের Use True North অন/অফ করা যাবে এখান থেকে।
• Safari: সাফারি ব্রাউজার সংক্রান্ত সেটিং অ্যাক্সেস করা যাবে এখান থেকে। আপনি আপনার পছন্দমত অপশন সেট করে নিতে পারেন।
• iTunes & App Store: আপনার অ্যাপেল আইডি এর জন্য কি কি অপশন সেট করবেন তা অন/অফ করতে পারবেন এখান থেকে। আমি এখানকার সবগুলো অফ করে রাখি। তবে যার যার সুবিধামত এখান থেকে অপশন অন করে রাখতে পারেন।
• Music: মিউজিক সংক্রান্ত সকল সেটিং অ্যাক্সেস করতে পারবেন এখানে।
• Videos: ভিডিও সংক্রান্ত সকল সেটিং অ্যাক্সেস করতে পারবেন এখানে।
• Photos & Camera: ফটো শেয়ার করবেন কি করবেন না তা সেট করতে পারবেন। আপনার ছবিগুলো ওয়াইফাই ইন্টারনেট দিয়ে iCloud এ সেভ করে রাখবেন কি রাখবেন না তা অন/অফ করতে পারবেন। আরও কিছু ছবি সংক্রান্ত সেটিং পাবেন এখানে।
• iBooks: যদি iBooks অ্যাপস ইন্সটল করা থাকে তাহলে এখান থেকে বিভিন্ন সেটিং অ্যাক্সেস করতে পারবেন।
• Game Center: গেম সেন্টারে অ্যাপেল আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন করে গেম সেন্টার সম্পর্কিত সেটিং অ্যাক্সেস করতে পারবেন।
• Facebook: এখানে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাইন ইন করে Contacts, Calender, Facebook অন করে Sync করে নিতে পারবেন। তাছাড়া ফেসবুক সেটিং অ্যাক্সেস করতে পারবেন।
• ব্যাটারি লাইফ সেভ করতে চাইলে যাদের iOS6 বা তার নিচের ভার্সন এখানে ক্লিক করুন। এবং iOS7 থাকলে এখানে ক্লিক করুন।
আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেছি ঠিকভাবে উপস্থাপন করার জন্য। এখানে iOS7 ভার্সনের সেটিং কেমন হবে তা জানিয়েছি। যদি কারো কোন সেটিং বা অপশন না পান তাহলে সেটা আপনার ভার্সন অথবা ফোন সাপোর্ট করে না।

App Store থেকে প্রয়োজনীয় কিছু অ্যাপসের ডাউনলোড লিঙ্কসহ তালিকা।

পরম করুনাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন।
যারা জানেন না তাদের জন্য অ্যাপসের নাম US Store থেকে ডাউনলোড করার লিঙ্কসহ দিলাম(যা প্রতিটা অ্যাপসের নামের উপর ক্লিক করলেই পাবেন) যদি কেউ অন্য কোন দেশের অ্যাপ স্টোর থেকে ইন্সটল করতে চান তবে সেই দেশের স্টোর থেকে সার্চ করে ইন্সটল করতে হবে।

বাংলা লেখার জন্যঃ BanglaBangla Phonetic Typing
বাংলা পত্রিকা পড়ার জন্যঃ  BanglaPapersProthom AloBanglaNews24.
ইংলিশ টু বাংলা ডিকশনারীর জন্যঃ Bangla Dictionary, Bangla Dictionary Free, Ovidhan, 
Bangla Video দেখার জন্যঃ Bangla Tube, Bangla Television, 
রেডিও শুনার জন্যঃ Desi Radio, Bangladesh Radio, TuneIn Radio, Sangeet Radio, 
Facebook সম্পর্কীয় অ্যাপসসমুহঃ Facebook, Facebook Messenger, Facebook Camera, 
সামাজিক যোগাযোগের অ্যাপসসমুহঃ Whatsapp Messenger, Skype, Tango, Viber, Nimbuzz Messenger, Twitter, ooVoo, Yahoo! Messenger, 
ছবি এডিট করার জন্যঃ Doodle Buddy, Photo Editor, Adobe Photoshop, 
ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্যঃ UC Bowser+, Opera Mini Web Bowser, Chrome, Puffin Web Browser Free, Dolphin Browser,
ফটো, ফোন নাম্বার শেয়ার করার জন্যঃ Bump, Bluetooth Photo Share, Bluetooth Share Center, 
Video দেখার জন্যঃ YouTube, Dailymotion, 
ক্রিকেট খেলার তথ্য জানার জন্যঃ The ESPNcricinfo, Cricbuzz, Yahoo! Cricket, 
Music, Video Download সম্পর্কীয় অ্যাপসসমুহঃ MyMedia, Free Music Download, Music Download Sprite, Free Video Downloader Plus Plus, 
Camera অপশন জাতীয় অ্যাপসসমুহঃ Camera Awesome, Instagram, 
বিভিন্ন হাসির অ্যাপসসমুহঃ Talking Tom Cat, Talking Ben the Dog, Talking Tom Cat 2, Talking Ginger, Talking Pierre the Parrot, Talking Angela, Talking Anya Dress Up, Ginger's Birthday,

Monday, January 27, 2014

অনেক জেইলব্রেক অ্যাপস একসাথে পেতে চাইলে যা করতে হবে।

পরম করুণাময় আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি। আসসালামু আলাইকুম।

আইফোনটি জেইলব্রেক থাকতে হবে। repo.insanelyi.com রেপো অ্যাড করে Cydia থেকে Springtomize 3 লিখে সার্চ দিয়ে এটা ইন্সটল করতে পারবেন। খুব দরকার না থাকলে এই টুইক ইন্সটল করবেন না। এটা শুধু iOS7+ এর জন্য। যারা iOS5/6 ব্যাবহার করেন তারা Springtomize 2 ইন্সটল করে নিতে পারেন।


Settings - Springtomize 3- Enabled অন করে এর বিভিন্ন অপশন পাবেন। যারা এই অ্যাপসটি বানিয়েছে তারা আরও অনেক ফিচার অ্যাড করবে বলেছে। তবে প্রতিবার এই টুইকের যেকোনো সেটিং বদলানোর পর যখনি সেটিং বদলাবেন তখনি সেই টুইক পেজের উপরে টাচ করে Respring করে নিতে হবে। 


এটা যে যে কাজের জন্য ব্যাবহার করতে পারেন তার মধ্যে অন্যতম কয়েকটা তুলে ধরা হলঃ 


* Custom Carrier: যেখানে সিম নেটওয়ার্ক এর নাম উঠে সেখানে আপনার নাম বা যা মন চায় লিখতে চাইলে Settings > Springtomize 3 > Status Bar > Custom Carrier অন করে নিচের ঘরে লিখে Respring করলেই হবে।

* Custom Slide to Unlock: আইফোনের লক স্ক্রীন থেকে হোম স্ক্রীনে যাবার সময় যে Slide to Unlock লেখা উঠে তার পরিবর্তে আপনি আপনার নাম বা অন্য যা লিখবেন তা দেখতে চাইলে Settings > Springtomize 3 > Lock Screen > Slider Style > Custom Text সিলেক্ট করে ব্যাক করে নতুন যে লিখার বক্স আসবে তাতে লিখে Respring করলেই হবে।
* তাছাড়া সব ধরনের আইকন ছোট/বড় করা, অনেক কিছু লুকিয়ে রাখা যেমন অ্যাপস বা অপ্রয়োজনীয় সেটিং, এছাড়া অনেক কিছু করা যায় যা নিচের প্রতিটা অপশন থেকে দেখে নিতে পারেন।

এই টুইকে যে যে অপশন আছে তা নিচে বিস্তারিত দেয়া হলঃ


* Animations: সম্পূর্ণ ফোনের Animation স্পীড কেমন রাখবেন তা সেট করতে পারবেন। যদি NoSlowAnumations ইন্সটল থাকে তাহলে এই অপশন ব্যাবহার করবেন না। পরে আরেক সমস্যায় পড়বেন।


* App Slider: এখান থেকে Hide Icons অন করলে হোম বাটন ডাবল টেপ করলে যে মাল্টিটাস্ক আসে বা যেভাবেই মাল্টিটাস্ক আনেন না কেন তার নিচে যে অ্যাপ আইকন আসতো তা আর দেখাবে না। Resize Pages থেকে বিভিন্ন সাইজ সেট করে নরমাল যে সাইজের মাল্টিটাস্ক পেজ থাকে সে সাইজ থেকে কম বেশি করা যাবে। Home Action থেকে None মানে কিছুই হবে না। আর Respring মানে মাল্টিটাস্ক এর হোম স্ক্রীন উপরের দিকে স্লাইড করলে আইফোন Respring হবে। তবে যদি এই জাতীয় অন্য কোন টুইক ব্যাবহার করেন যা মাল্টিটাস্ক এর হোম স্ক্রীন উপরের দিকে স্লাইড করলে আইফোন Respring হয় তা রিমুভ করে নিতে হবে।


* Control Center: Hide Separators অন করলে Control Center এ যে বিভিন্ন অপশন এর মাঝে লাইন থাকে তা দেখাবে না। Hide Quick Lanch অন করলে Control Center এ এক টাচে ওয়াইফাই, ব্লুটুথ অন/অফ করার অপশন আসে তা দেখাবে না। Hide Brightness অন করলে Control Center এ Brightness কমানো বাড়ানো যায় তা দেখাবে না। Hide Media Controls অন রাখলে Control Center এ যে মিউজিক বাজানোর সময় সেটিং আসতো তা দেখাবে না। Hide AirDrop অন করলে Control Center এ AirDrop সংক্রান্ত সেটিং দেখাবে না। Hide Settings অন রাখলে Control Center এ যে ফ্ল্যাশলাইট, ক্যালকুলেটর, ক্যামেরা এর সেটিং লাইন আসতো তা দেখাবে না। যদি কন্ট্রোল সেন্টার জাতীয় অন্য কোন টুইক যেমন CCQuick, CCControls ইন্সটল করা থাকে তাহলে এর সেটিং এর কোন পরিবর্তন করবেন না।


* Dock: হোম স্ক্রীনের সবচেয়ে নিচের যে আইকন লাইন থাকে তাকে ডক বলে। এটা Hide মানে লুকানো, এর Background মুছা, সাইজ ছোট/বড় করা, লেভেল হাইড করা, কয়টা আইকন রাখবেন তা সেট করা, ডক এর Coverflow Enabled অন করে আইকন কিছুটা বাকা করে রাখা যায়।


* Folders: Nested Folders অন করে ফোল্ডারের এর ভিতর ফোল্ডার বানানো যাবে, কিন্তু আগে থেকে বানানো ফোল্ডার আরেকটাতে ভরা যাবে না। Pinch to Close অন করে সব ফোল্ডার বন্ধ করা যাবে। Transparent Background অন করে ফোল্ডারে যে আবছা আবছা থাকে তা মুছা যাবে। Unblurred Icon অন করে আইকনের ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লুর অফ করা যাবে। Fast Open/Close অন করে ফোল্ডার Animation ফাস্ট করা যাবে। Resize অন করে Resize Percentage 25%-200% এর মধ্যে বিভিন্নভাবে সেট করে ফোল্ডারের ভিতরের আইকন সাইজ ছোট/বড় করা যাবে। Hide Labels অন করে লেভেল হাইড করা যাবে। Columns এর ভিতর থেকে Default বা 1-10 টি আইকন কলাম সেট করা যাবে। Rows এর ভিতর থেকে Default বা 1-6 টি আইকন Rows সেট করা যাবে। Coverflow এর Enabled অন করে আইকন বাকানো যাবে। Reverse দিয়ে উল্টা করে বাকানো যাবে। Factor, Perspective কম বেশি করে বাকানো কমানো বাড়ানো যাবে।


* Icons: Hide Updated অন করে Recently Update অফ রাখা যায়। Lock Layout অন করে আইকন Move করা বন্ধ করা যায়। Disable Wiggling অন করে আইকন মুভ করার সময় যে কাপাকাপি করে তা বন্ধ করা যায়। Disable Uninstall অন করে আপনার অজান্তে আইকন ডিলিট হয়ে যাওয়া বন্ধ করা যায়, এটা অন থাকলে আইকন ডিলিট করার জন্য যে ক্রস আসে তা আসবে না। Hide Badges অন থাকলে কোন আইকনে যে নাম্বার নোটিফিকেশান আসে তা দেখাবে না। Icon Image Effect বদলায়ে আইকনকে বিভিন্ন ইফেক্ট দেয়া যায়। Badge Colors এর মধ্য থেকে Background অন করে Background Color কমিয়ে বাড়িয়ে নিয়ে আইকনে যে নাম্বার নোটিফিকেশান আসে তার ব্যাকগ্রাউন্ড কালার বদলানো যায় এবং Text অন করে Text Color কমিয়ে বাড়িয়ে নিয়ে আইকনে যে নাম্বার নোটিফিকেশান আসে তার টেক্সট কালার বদলানো যায়। Hide Icons অপশন থেকে Hide Newsstand অন করে Newsstand অ্যাপস লুকিয়ে রাখা যায়। Hide Springtomize অন করে Springtomize অ্যাপস লুকিয়ে রাখা যায়। Hide Icons থেকে অ্যাপস সিলেক্ট করে সেই সেই অ্যাপস লুকিয়ে রাখা যায়। তবে একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন একই সেটিং এর কয়েকটা টুইক ব্যাবহার করবেন না। এতে সমস্যা হতে পারে। যেমন হাইড আইকন এর জন্য অন্য কোন টুইক ব্যাবহার করেন তাহলে এখানের সেটিং অন করবেন না।


* Lock Screen: Hide Camera অন করে লক স্ক্রীনে ক্যামেরা অপশন থাকে তা লুকিয়ে রাখা যায়। 

Slider Style থেকে Original সিলেক্ট করলে Slide to Unlock লেখা আসবে, Hidden সিলেক্ট করলে কিছুই লেখা আসবে না, Custom Text সিলেক্ট করলে ব্যাক করে একটা নতুন অপশন আসবে যাতে যা লিখে রাখবেন তাই দেখাবে, Current Time সিলেক্ট করলে তা দেখাবে। 
Time থেকে Time Font Size কমানো বাড়ানো যাবে, Time Style এর Original সিলেক্ট করলে কোন কিছু বদলাবে না, Display Seconds সিলেক্ট করলে সেকেন্ড সহ সময় দেখাবে, Custom Text সিলেক্ট করে নতুন লেখার জায়গায় যা লিখবেন তাই দেখাবে। 
Date থেকে Date Font Size কমানো বাড়ানো যাবে, Date Style এর Original সিলেক্ট করলে কোন কিছু বদলাবে না, Custom Text সিলেক্ট করে নতুন লেখার জায়গায় যা লিখবেন তাই দেখাবে।

* Pages: Hide Dots অন করলে হোম স্ক্রীনের এক পেজ থেকে আরেক পেজে যাবার সময় Dock এর ঠিক উপরে যে দত থাকে তা লুকিয়ে রাখা যায়। Disable Spotlight অন করলে হোম স্ক্রীনের মাঝ থেকে নিচের দিকে স্লাইড করলে যে সার্চ অপশন আসে তা আর আসবে না।

Icon Settings এর Resize অন করে Resize Percentage ২৫%-২০০% পর্যন্ত কমিয়ে বাড়িয়ে আইকন সাইজ করা যাবে। Hide Lavels অন করলে লেভেল হাইড হবে। Columns থেকে হোম স্ক্রীনে Default বা 1-10 টি আইকন কলাম সেট করা যাবে। Rows থেকে Default বা 1-6 টি আইকন সারি সেট করা যাবে। 
Coverflow এর Enabled অন করে আইকন বাকানো যাবে। Reverse দিয়ে উল্টা করে বাকানো যাবে। Factor, Perspective কম বেশি করে বাকানো কমানো বাড়ানো যাবে।

* Status Bar: আইফোনের যেখানে নেটওয়ার্ক বার, টাইম, ব্যাটারি দেখা যায় তাকে Status Bar বলে। 

এখান থেকে Custom Carrier অন করে নিচের ঘরে যা লিখবেন তাই দেখাবে। Custom Time অন করে যেভাবে সেট করবেন তাই দেখাবে, তবে এটা না জেনে এডিট করলে হবে না। আর স্ট্যাটাস বারে Airplan, Airplay, Alarm, Battery Image, Battery Percentage, Black Square, Bluetooth Battery, Bluetooth Signal, Call Forwarding, Carrier, Do Not Disturb, Location, Network Activity, Network Type, Nike+, Recording, Rotation Lock, Signal Strength, TTY, Time, VPN এসব থেকে যেটা যেটা দেখতে না চান তা অন করে রাখলে তা আর স্ট্যাটাস বারে দেখাবে না। 

তবে একই ধরনের সেটিং এর জন্য কয়েকটা টুইক ইন্সটল করবেন না। এই টুইক থেকে যে যে অপশন অন রাখবেন তার মত অন্য কোন টুইক ইন্সটল করা থাকলে তা রিমুভ করে নিন। পরবর্তীতে আপডেট আসলে এই পোস্টে তা অ্যাড করা হবে। তাই যখন দরকার এই পোস্টটি দেখে নিতে পারেন। অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Cydia বা জেইলব্রেক নিয়ে যেকোনো সমস্যায় পরলে যা যা করতে হবে।

পরম করুণাময় আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি। আসসালামু আলাইকুম।
Cydia থেকে সুবিধা যেমন আছে তেমন না জেনে উল্টাপাল্টা কিছু ইন্সটল করলে সমস্যাও আছে। Cydia ঠিকমত চলার জন্য যা যা দরকার তার কিছু নিচে তুলে ধরা হলঃ

* সর্বপ্রথম আইফোন রিস্টার্ট মানে বন্ধ করে চালু করে দেখেন সমস্যার সমাধান হয় কিনা।

* যদি ইন্সটল করা টুইকগুলোর মধ্য থেকে কয়েকটা Tweak না পান তাহলে শুধু সেই কয়েকটা আবার Reinstall করুন। যদি তাও না পান তাহলে Cydia Substrate, Substrate Safe Mode, Preferencloader এই তিনটা Reinstall করে নিন।

* অন্য সকল রেপো থাক বা না থাক BigBoss, Insanelyi (repo.insanelyi.com), iPhoneCake (cydia.iphonecake.com), ModMyi, rpetrich repo (rpetri.ch/repo/), ZodTTD & MacCiti এই কয়টা আছে কিনা দেখুন। যদি কোনটা না থাকে তাহলে Cydia > Manage > Sources > Edit > Add > এখানে http:// এর সাথে রেপো (cydia.insanelyi.com)টা লিখুন > Add Sources > Add Anyway যদি চায় > Return to Cydia করে অ্যাড করতে পারবেন। এখানে যদি rpetrich রেপো অ্যাড না থাকে তাহলে Activator অ্যাপসটি নিশ্চিত সমস্যা করবে। আর BigBoss & ModMyi না থাকে তাহলে কোন টুইক ইন্সটল করার সময় যে Dependencies লাগে তা পাবেন না, যার ফলে টুইক ইন্সটল করতে পারবেন না, আর করলেও ঠিকমত কাজ করবে না। BigBoss, ModMyi রেপো ফিরে পেতে Cydia এর মেইন পেজ Welcome to Cydia লেখার নিচের দিকে More Package Sources এ গিয়ে উপরে থাকা BigBoss এ ক্লিক করে Ok চেপে অ্যাড করে নিন। এভাবে ModMyi না থাকলে তাও অ্যাড করে নিন।

* একদম দরকার না থাকলে বেশি বেশি রেপো অ্যাড করা থেকে বিরত থাকুন। সবসময় অল্প কয়েকটা রেপো থেকে সবকিছু ইন্সটল করার চেষ্টা করুন।

* যদি কোন টুইক ইন্সটল করার পর না চলে বা অন্য সমস্যা দেখা দেয় বা এমন সমস্যা হচ্ছে যা আগে ছিল না তাহলে দ্রুত সেই টুইক রিমুভ করে দিন। রিমুভ করার পর iCleaner Pro দিয়ে Unused Dependencies অন করে ক্লিন করে নিন।

* একই জায়গার জন্য কয়েকটা টুইক ইন্সটল করা থেকে বিরত থাকুন। যেটা বেশি দরকার শুধু সেটাই ব্যাবহার করুন। যেমনঃ CCQuick Pro, CCControls এরকম Control Center এর জন্য যত টুইক আছে তা থেকে বাছাই করে একটা ব্যাবহার করুন। এক টুইকের জন্য আরেক টুইক চলতে সমস্যা না হয় এটা অবশ্যই খেয়াল রাখবেন।

* যদি কোন Tweak Cydia থেকে ইন্সটল করার পর Respring করার সময় আইফোন অ্যাপেল লোগোতে Stuck হয়ে যায় অথবা লক স্ক্রীনে এসে বারবার অফ হতে থাকে মানে লক স্ক্রীন দেখার পরই আইফোন Crash করে। এরকম হলে আইফোন কে Safe Mode এ নিয়ে ঠিক করা যায়। এই অবস্থা থেকে Safe Mode এ যেতে আইফোনে যখন লোগো দেখা যাবে তখন আইফোনের Volume + বাটন চাপ দিয়ে ধরে রাখতে হবে যতক্ষণ লক স্ক্রীন না আসে। তা ২০-২৫ সেকেন্ড পর্যন্তও লাগতে পারে। এবার লক স্ক্রীন আসলেই তা Safe Mode হয়ে যাবে। আর যে Tweak বা অ্যাপসটি সবার শেষে ইন্সটল করেছেন Cydia থেকে তা রিমুভ করে নিন। তারপরও কাজ না হলে Cydia থেকে Cydia Substrate Reinstall করে নিন। কারণ সেটা ঠিকমত কাজ করবে না দেখেই এরকম হয়।

* যদি Safari, Mail, Calculator ওপেন হবার সাথে সাথে বন্ধ হয়ে যায় তাহলে Safari/Mail Fix, Appsync for iOS 7, AppCake এই তিনটা অ্যাপসের যে কয়টা থাকবে তার সবগুলো রিমুভ করে নিন। এবার iCleaner Pro দিয়ে ক্লিন করে আইফোন বন্ধ করে চালু করুন। এবার iPhoneCake রেপো থেকে প্রথমে Appsync for iOS 7 ইন্সটল করে আইফোন বন্ধ করে চালু করুন। এখন আবার iPhoneCake রেপো থেকে AppCake ইন্সটল করে নিন। যদি Safari/Mail Fix না ইন্সটল করলেও সাফারি/মেইল কাজ করে তাহলে এটা আর ইন্সটল করার দরকার নেই।

Sunday, January 26, 2014

কোন কারনে জেইলব্রেক মুছে ফেলে ফ্যাক্টরি রিসেট করতে চাইলে দেখুন।

পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। আসসালামু আলাইকুম।

আইফোন যদি ফ্যাক্টরি সিম লক থাকে তাহলে এই রিসেট করার পর আর কোন সিম নাও চলতে পারে। আর যাদের iPhone 3GS আছে এবং Cydia এর মাধ্যমে সিম আনলক করা তারা এটা করলে আপনার আইফোনে আর কোন সিম চলবে না। যা কিছু করবেন বুঝে শুনে করবেন। কোন সমস্যায় পরলে আমি দায়ী নই। একটা কথা মনে রাখবেন একবার জেইলব্রেক মুছে ফেললে আবার জেইলব্রেক করতে সম্পূর্ণ পিসি দিয়ে সফটওয়্যার রিস্টোর না করে জেইলব্রেক করতে পারবেন না।

অনেকেই অনেক সমস্যার কারনে জেইলব্রেক করার পর আইফোনটাকে ক্লিন করতে Erase All Content and Settings এর মাধ্যমে ক্লিন রিস্টোর বা ফ্যাক্টরি রিসেট করতে চান। যা সরাসরি আইফোন থেকে হয় না। তাই অনেকেই পিসি দিয়ে সফটওয়্যার রিস্টোর করে এই কাজটি করেন।

কিন্তু আমি আজ জানাব কিভাবে তা আইফোন দিয়েই করবেন। তবে সবার ক্ষেত্রেই যে কাজ করবে তার কোন নিশ্চয়তা নাই। তবে একটা জিনিস মনে রাখবেন, এরকম রিসেট করলে আইফোনে থাকা সকল তথ্য সম্পূর্ণ মুছে যাবে। আর যদি ব্যাকআপ করে Restore from Backup থেকে রিস্টোর করেন তাহলে সমস্যা হবার কথা না। তাই একদম দরকার না থাকলে এই রিসেট করবেন না।

প্রথমে Cydia > Manage > Settings > Developer সিলেক্ট করে নিন। এবার Cydia > Manage > Packages > Substrate Safe Mode > Modify > Remove > Continue Queuing > Installed > Cydia Installer > Modify > Remove > Continue Queuing > Installed > এভাবে যতগুলো টুইক ইন্সটল করা আছে তার সবগুলো Tweak এ গিয়ে Modify > Remove > Continue Queuing > Installed > একটাও যেন বাদ না পরে ২০-১০০ এর মত হবে (কারণ কোন টুইক ইন্সটল থাকলে তা রিমুভ না করলে ঠিকমত কাজ নাও করতে পারে) সবশেষে Confirm দিয়ে সম্পূর্ণ প্রসেস শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার Restart Springboard আসলে তাতে চাপুন। না আসলে আইফোন সম্পূর্ণ বন্ধ করে আবার চালু করুন।

এখন Settings > General > Reset > Erase all Content and Settings > Erase iPhone > Erase দিয়ে আপনার আইফোন একদম নতুন অবস্থায় যেমন থাকে তেমন হয়ে যাবে। মানে Welcome স্ক্রীন থেকে সেট করে নিতে হবে।

কম্পিউটার থেকে জেইলব্রেক অ্যাপস ডাউনলোড করে আইফোনে ইন্সটল করতে চাইলে দেখুন।

পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন।


এটা সবাই পারবেন না। অনেক ঝামেলা, তাই যারা এই সম্পর্কে ভাল জানাশুনা আছে তারাই চেষ্টা করুন। প্রথমে এখান থেকে অথবা এখান থেকে পিসিতে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন। ডাউনলোড করার সময় ভালভাবে দেখে নিন কি কি ইন্সটল হবে, কারণ এর সাথে অনেক সময় অন্য সফটওয়্যারও ইন্সটল হয়ে যাবে। তাই ইন্সটল করার সময় Accept বা Decline এর অপশনগুলো ভালভাবে খেয়াল করে অবশ্যই Decline করে নিয়েন।

এটা দিয়ে টুইকগুলো সরাসরি আইফোনে ইন্সটল করতে পারবেন না। তাই এই সফটওয়্যার দিয়ে শুধু টুইকগুলো ডাউনলোড করে সেভ করুন, কিভাবে আইফোনে ইন্সটল করবেন তা নিচে দেখুন। আর ভাগ্য ভাল থাকলে এই সফটওয়্যার দিয়েও করতে পারবেন।

সফটওয়্যারটি UnZip করে ওপেন করলে কয়েকটা Error আসবে। যদি Error গুলো নিচের কয়েকটা হয় তাহলে তার নিচে দেয়া সমাধান দেখে ফিক্স করে নিন। আর যদি এরর ফিক্স নাও করেন সমস্যা নেই। শুধু ক্রস বা Cancel চাপুন। এতে টুইক ডাউনলোড করার সমস্যা হবে না।
যেভাবে ফিক্স করবেন Error গুলোঃ 
QTCF.dll file wasn’t found error
Many users have reported to us about this error.
Remove Cyder and reinstall it to fix this error,Install Quick time player on your computer (only for Windows users)
When you install quick time player you can find QTCF.dll from following directory
C:\Program Files\Common Files\Apple\Mobile Device Support
Then copy paste it to following directory (Folder)
C:\Program Files\Common Files\Apple\Apple Application Support
If you are windows 64-bit user copy it to here
C:\Program Files (x86)\Common Files\Apple\Apple Application Support

iPhone is not found error
This is also a common error. Some times this can happen because of hardware problems,
Blackrain Jailbreakers
If you have jailbroken your device using blackrain you can face this error.To recover it you have to install a Cydia tweak named “afc2add”. You can install this tweak using Modmyi, Modmyi is a default Cydia source, therefore you don’t want to add any special Cydia source for install this 
ASL.dll error
rarely this error can be occur with cyder,  You can reinstall iTunes to fix this error 
এছাড়া SQLite3.dll সংক্রান্ত Error হলে যা নিচের ছবিতে আছে তাহলে C Drive > Program Files or Program Files (x86) > Common Files > Apple > Apple Application Support থেকে SQLite3.dll ফাইলটি কপি করে C Drive > Program Files or Program Files (x86) > Cyder ফোল্ডারে Paste করলেই আর Error আসবে না।



আর যদি iTunesMobileDevice.dll সংক্রান্ত কোন Error আসে তাহলে C Drive > Program Files or Program Files (x86) > Common Files > Apple > Mobile Device Support ফোল্ডার থেকে iTunesMobileDevice.dll ফাইলটি কপি করে C Drive > Program Files or Program Files (x86) > Cyder ফোল্ডারে Paste করলেই আর Error আসবে না।

এরকম আরও যে যে Error আসবে তা এদের যেকোনো একটা থেকে কপি পেস্ট করলেই সেই সমস্যা হবার কথা না। অনেক সময় iTunes Reinstall করলেও সমাধান হয়। QuickTime Player ইন্সটল করলেও সমাধান হয়।

যেভাবে ডাউনলোড করবেন জেইলব্রেক Tweak বা অ্যাপসঃ
Cyder2 ওপেন করার পর Error ফিক্স হলে ভাল। না হলে ক্রস বা Cancel এ ক্লিক করুন। এবার Sources এ গিয়ে খালি জায়গায় রাইট মাউস ক্লিক করে Add এ ক্লিক করে নিচের ছবির মত সবগুলো রেপো অ্যাড করে নিন। এর মধ্যে BigBoss, ModMyi, cPetrich রেপো তিনটি অবশ্যই অ্যাড থাকতে হবে তা না হলে সকল Dependencies ফাইল পাবেন না। এখানে যেভাবে আছে সেইভাবে অ্যাড করতে হবে। যেমন BigBoss রেপো অ্যাড করতে http:// এর সাথে apt.thebigboss.org/repofiles/cydia/dists/stable/main/binary-iphoneos-arm লিখে খালি জায়গায় ক্লিক করলেই তা অ্যাড হয়ে যাবে। এখানে packages লেখার দরকার নেই। এই লিস্টের বাইরে থেকেও রেপো অ্যাড করে নিতে পারবেন। এবার সকল Sources অ্যাড হয়ে গেলে Cyder II লেখার নিচে যে প্লে বাটনের মত আছে তাতে ক্লিক করে বা রেপোতে রাইট মাউস ক্লিক করে Refresh All ক্লিক করে সবগুলো গ্রীন কালারের টিক মার্কের মত করে নিন। যদি রেপো ঠিক না থাকে বা অকার্যকর থাকে তাহলে Error আসবে।
Repo List: 
apt.modmyi.com/dists/stable/main/binary-iphoneos-arm
apt.thebigboss.org/repofiles/cydia/dists/stable/main/binary-iphoneos-arm
rpetri.ch/repo
cydia.iphonecake.com
repo.insanelyi.com
repo.biteyourapple.net
repo.hackyouriphone.org
www.sinfuliphonerepo.com

এখন Packages এ গিয়ে যে Tweak ডাউনলোড করবেন তা Filter এ লিখে Enter চেপে সার্চ করুন। এখন যে রেপো থেকে ফ্রী শুধু সেই রেপো থেকেই ডাউনলোড হবে। যেমনঃ Springtomize 3 যদি BigBoss রেপো থেকে ডাউনলোড করতে চান তাহলে ডাউনলোড করতে পারবেন না। কারণ এই রেপো থেকে এটা পেইড টুইক। তাই আপনাকে আগে থেকেই জানতে হবে কোনটা ফ্রী। এখানে Depends নামে যে অপশন আছে তার মানে এই টুইকটি ঠিকমত কাজ করতে এই টুইকগুলো আইফোনে ইন্সটল থাকতে হবে। যদি এগুলো না ইন্সটল থাকে তাহলে এটা কাজ করবে না। এখন যে রেপো থেকে ফ্রী ডাউনলোড হবে তার উপর রাইট মাউস রেখে Download with dependencies এ ক্লিক করতে হবে। তাহলে দরকারি ফাইলসহ সবগুলো ডাউনলোড হবে। যদি সেই Tweak এর Depends ফাইলে লেখা থেকে কোন ফাইল কম থাকে তাহলে তা আইফোনে কাজ করবে না।

এবার Downloads অপশনে গিয়ে দেখতে পাবেন কি কি ফাইল ডাউনলোড করতে হবে। আমি এখানে Airblue Sharing ডাউনলোড করতে চেয়েছি কিন্তু লক্ষ্য করে দেখেন সকল ফাইল আসেনি। শুধু ৩টা ফাইল দেখাচ্ছে। তাই মনে রাখবেন যেসব টুইকে অনেক Dependencies দরকার সেগুলো এখান থেকে পুরাপুরি ডাউনলোড নাও হতে পারে। কারণ কিছু ফাইল আছে যা সরাসরি Cydia থেকে হয় যা এখান থেকে হবে না। আর যেসব টুইকের Dependencies নাই তা ডাউনলোড করার জন্য এটা খুবই ভাল সফটওয়্যার। ফাইলগুলোর উপর রাইট মাউস ক্লিক করলে ডাউনলোড অপশন পাবেন অথবা Cyder II লেখা এর নিচে যে প্লে বাটনের মত আছে তাতে ক্লিক করে সবগুলো ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোড করা ফাইলগুলো C Drive > Program Files or Program Files (x86) > Cyder > Archives এ গিয়ে পাবেন। এখান থেকে Dependencies ফাইলসহ একটা টুইকের সাথে যা যা ইন্সটল করতে হবে তার সব সিলেক্ট করে কম্পিউটারে iFunbox (যা এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন) তা ইন্সটল করে নিচের ছবির মত ফলো করে ফাইলগুলো কপি করে আইফোন একবার বন্ধ করে চালু করলেই পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত Cydia টুইক বা অ্যাপস।

পরিশেষে আবারও বলছি, যারা নতুন তারা হয়ত এত সহজে এগুলো বুঝবেন না। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেছি গুছিয়ে লেখার জন্য। আপনাদের কাজে আসলেই আমার এই পোস্ট করা সার্থক হবে। আমার আব্বার জন্য দোয়া করবেন। তিনি যেন সুস্থ হয়ে উঠেন।